রাবি প্রতিনিধি:
১৯৬৯’এর গণ-অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক শহীদ ড. শামসুজ্জোহা পাকিস্তান বাহিনী কর্তৃক নিহত হন। এরই ধারাবাহিকতায় রাবিতে ঐ দিনটিকে (১৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষক দিবস (জোহা দিবস) পালন করে আসছে।
এবার দিবসটিকে জাতীয় দিবসের স্বীকৃতির দাবিতে গণবিবৃতি আহ্বান ও গণস্বাক্ষর পালন কর্মসূচী করতে যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোট। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি ) সংগঠনটি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জোহা চত্বরে গণ-স্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি।
কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি রায়হান ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমদ তোফার এক যৌথ বিবৃতি ১৯৬৯’র গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ড. শামসুজ্জোহার অসামান্য অবদান তুলে ধরেন। স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও মহান এ শিক্ষকের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃত হয়নি। যা এই মহান শিক্ষকের আত্মত্যাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রামের ঐতিহাসিক অবদানকে খাটো করে বলে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।
এজন্য দিবসটি ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস’ ঘোষণার দাবিতে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠের নিকট গণবিবৃতির আহ্বান এবং একইসঙ্গে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জোহা চত্বরে গণ-স্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান করেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, ড. সৈয়দ শামসুজ্জোহা বাংলাদেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবি। তাঁর নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি চত্ত্বর ( জোহা চত্ত্বর) ও একটি আবাসিক হল ( শহীদ শামসুজ্জোহা হল) রয়েছে। এছাড়া তাঁর শহীদ দিবস প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদায় পালন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
মন্তব্য